শিরোনাম
১০ পর্বের প্রথম পর্ব কথিত প্রাচীন কয়েন ও সীমানা পিলার প্রতারণার মুলহোতা আহাদুল ইসলাম দুলাল রাজউকের গুলশান এস্টেট শাখায় উপ-পরিচালক লিটন সরকারকে ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ, ফাইল গায়েব থেকে বিতর্কিত অনুমোদন বিএনপি নেতার মৃত্যু: অভিযানে থাকা সব সেনা সদস্যকে প্রত্যাহার দক্ষিণ এশীয় উচ্চশিক্ষা সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ব্যক্তিগত বিচারের ভিত্তিতে’ গুম করতেন সিটিটিসির আহমেদুল আবারও মুখোমুখি অবস্থানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, পাল্টাপাল্টি হামলার হুমকি ইসিতে দ্বিতীয় দিনের আপিলে বৈধ ৫৭ প্রার্থী যখন তোমার কেউ ছিল না তখন ছিলাম আমি, এখন তোমার সব হয়েছে পর হয়েছি আমি ভারতে খেলতে না চাওয়া বাংলাদেশের বিশ্বকাপ ম্যাচ আয়োজনে আগ্রহী পাকিস্তান কর ফাঁকির মামলায় শীর্ষে থাকা প্রার্থীর মনোনয়নপত্র স্থগিত হওয়া সত্ত্ব আবারো মনোনয়নপত্র পাওয়ার অভিযোগ
শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:৫৪ অপরাহ্ন

বিচারকাজ বিলম্ব করতে ট্রাইব্যুনালকে বিভ্রান্তের চেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৭৮ ৫৩২৬.০০ পাঠক বার পড়া হয়েছে
Update : রবিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২৫

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. তাজুল ইসলাম। ফাইল ছবি
বিচারকাজ বিলম্ব করতে আসামিপক্ষ একের পর এক আবেদন করে ট্রাইব্যুনালকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম।

গুম-নির্যাতনের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার ১০ সেনা কর্মকর্তাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আদেশ পিছিয়ে আগামী মঙ্গলবার দিন ধার্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

রোববার ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন।

প্যানেলের অন্য সদস্যরা হলেন- বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

এ মামলায় গ্রেপ্তার ৩ সেনা কর্মকর্তা তোফায়েল, কামরুল ও মশিউর জুয়েলের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী। একপর্যায়ে আদেশের জন্য আরেকটি তারিখ নির্ধারণের আর্জি জানান। পরে দুই দিন পিছিয়ে ২৩ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।

এদিকে, আসামিপক্ষের এমন আবেদনে আপত্তি জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। তিনি ট্রাইব্যুনালকে বলেন, বিচারকাজ বিলম্ব করতেই আসামিদের আইনজীবীরা এমন করছেন। এজন্য একের পর এক আবেদন করে ট্রাইব্যুনালকে বিভ্রান্ত করছেন তারা।

এ ছাড়া এ বিচার কাজে বাধাগ্রস্ত করতে নানাভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। আসামিপক্ষের চেষ্টা হচ্ছে মামলার চার্জ ফ্রেম যেনো না হয়। মামলায় যদি ‘প্রাইমা ফেসি’ গ্রাউন্ড থাকে তাহলে চার্জ ফ্রেমিং হতে হবে। তারা কোর্টকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা