জামালপুর জেলাধীন দেওয়ানগন্জ উপজেলার অন্তর্গত ৮নং দেওয়ানগন্জ সদর ইউপি উৎমারচর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের জালিয়াতি ও নিয়োগ বানিজ্য।
(২৫ জানুয়ারী ২০২৫)তারিখে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো:হানিফ উদ্দিনের সাথে অফিস চলাকালীন সময়ে তাঁর অফিসে সাক্ষাতে কথা হয়।আপনার বিদ্যালয়ের স্বীকৃতি ঠিক আছে কি?তিনি বলেন,সব ঠিক আছে।তবে কোন প্রমাণ দেখাতে পারেন নাই।নেই কোন বিদ্যালয়ের সাইনবোড এবং ওয়েব সাইটের ঠিকানা।অথচ ২০২৩ সালে মোট পরীক্ষা দিয়েছে ১২ জন পাশ করেছে ৭ জন ফেল ৫ জন।
২০২৪ সালে মোট পরীক্ষা দিয়েছে ১৫ জন পাশ করেছে ৪ জন ফেল ১১ জন।
২০২৫ সালে মোট পরীক্ষা দিয়েছে ১৮জন পাশ করেছে ৮ জন ফেল ১০জন।অথচ সর্বনিম্ন পরীক্ষার্থী ৩৫ দেখানো নিয়ম তা না হলে প্রতিষ্ঠানের বিল বন্ধ থাকবে।কিন্তু প্রধান শিক্ষক স্বীকৃতিতেও করেছেন অনিয়ম অন্যাথায় এমপিও বন্ধ।বিদ্যালয়ে কর্মরত একজন আয়া নাম মোছা:ছাহেরা আক্তার ইনডেক্সনং N56857566 যোগদান করেছেন ০২-০২-২০২৩ তারিখে বিনিময়ে নিয়েছেন ৮০০০০০(আট লক্ষ টাকা)।অথচ ২৩ /০১/২০২৩ তারিখে দূর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষক হানিফ উদ্দিন উৎমারচর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে প্রশংসা পত্র প্রদান করেন মোছা: দিপা আক্তার,পিতা মো:দেলোয়ার হোসেন,
মাতা মোছা:মনিরা বেগম,গ্রাম:উৎমারচর,পো:খড়মা,উপজেলা: দেওয়ানগন্জ,জেলা:জামালপুর।যাহার রোল নাম্বার:৪৪০৪৫৫ এবং রেজিস্ট্রশন নাম্বার:১৯২০০০৫৯৯৫, সেশন:২০২০-২১, ফলাফল ৪.৪৪ এবং জন্ম তারিখ:১১-০৩-২০০৬. তিনি দিপা নামে ইন্টার পাশ এবং বর্তমানে তিনি ডিগ্রীতে অধ্যয়নরত আছেন।এই টাকা লোভী ও দূর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ হানিফ উদ্দিন মোছা:দিপার কাছ থেকে =৮০০০০০(আট লক্ষ) টাকার বিনিময়ে দিপাকে ছাহেরা বানিয়ে আয়া পোষ্টে নিয়োগ দিয়েছেন। হানিফ উদ্দিনকে প্রশ্ন করা হলে,আপনি কিভাবে দিপাকে ছাহেরা বানিয়েছেন এবং নিয়োগ দিয়েছেন?তিনি বলেন,ছাহেরার আইডি কার্ড দেখে আমি নিয়োগ দিয়েছি।আবার বলেন,আমি নিয়োগ দেয়নি,নিয়োগ দিয়েছে কমেটি।অথচ একটা নিয়োগের মূল দায়িত্ব হল প্রতিষ্ঠান প্রধান।তিনি আরোও বলেন,ছাহেরার নাম ছাহেরাই।সাংবাদিক,বলেন,আপনার প্রতিষ্ঠান থেকে দিপা এসএসসি পাশ করেছে এবং আপনি তাকে দিপা নামে প্রশংসা পত্র দিয়েছেন।তখন তিনি কোন কথা বলেন নাই।এ বিষয়ে দিপার সাথে কথা বলা হলে,তিনি বলেন,আমার আসল নাম ছাহেরা।আমি ৮ম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ালেখা করেছি।অথচ দিপা ৩১-১০-২০২৫ ইং তারিখে বিবাহ করেন সেখান তার কাবিননামায় মোছা:দিপা আক্তার,যাহার বহিনং- এ/২, রেজি:নং-১০২/২৫ এবং পৃষ্ঠানং-৫৬. এ বিষয়ে কাজী আব্দুল হান্নান বলেন,আমি আসল NID কার্ড দেখে বিবাহ রেজিষ্ট্রি করেছি।এলাকাবাসীসহ আমাদের দাবি উপ-পরিচালক,মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ ছাহেরার ইনডেক্স কর্তন করে তার সমুদয় বেতনভাতা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরৎ নেওয়াসহ প্রতিষ্ঠান প্রধানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।তাছাড়া বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিয়োগ নিয়েছেন অনিয়ম করে।তাঁর নিয়োগের সময় বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত না বানিয়ে কৃষি শিক্ষার পাঠদানকারীকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বানিয়ে তিনি নিয়োগ নিয়েছেন।কৃষি পাঠদানকারী কখনোই ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হতে পারে না।তাঁর নিয়োগের পত্রিকা ও তাঁর বিপরীতে ০৩ জন প্রতিদ্বন্ধীর নাম এবং একজন ডিজির প্রতিনিধির নাম ও ফোন নাম্বার তিনি দিতে পারেন নাই।বর্তমানে বিদ্যালয়ে কর্মরত ০৭জন শিক্ষকের সনদ জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে।উক্ত অভিযোগের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানে গিয়ে প্রতিষ্ঠান প্রধান হানিফকে জিগ্যাস করা হলে তিনি বলেন,আমার প্রতিষঠানে এই ০৭ জন ছাড়া আরোও ০২ জন আছে অর্থাৎ মোট ০৯ জন শিক্ষকের সনদ জালিয়াতির অভিযোগ আছে।
উপরোক্ত ০৯ জন শিক্ষকের একাডেমিক সকল সনদ,নিবন্ধন সনদ,বিএড সনদ,বিপিএড সনদ,কম্পিউটার সনদ,পত্রিকা,নিয়োগপত্র,যোগদানপত্র এবং NID কার্ডের ফটোকপি প্রয়োজন একথা উল্লেখ করে তথ্য অধিকার ফর্মে তথ্য চেয়ে আবেদন করেছেন সাংবাদিক .কিন্তু সুনির্দিষ্ট সময় যাওয়ার পরও তথ্য দিতে ব্যর্থ হয়েছেন উক্ত প্রতিষ্ঠান প্রধান হানিফ উদ্দিন।
মোট ০৯ জন শিক্ষকের তথ্য দেয় দিচ্ছি বলে সময় কালক্ষেপন করে আসছেন প্রধান শিক্ষক হানিফ উদ্দিন।খুব শীঘ্রই এই ০৯ জন অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম,ইনডেক্সনং এবং কোন সনদ জাল তা প্রকাশ করা হবে?
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ-বোরহান হাওলাদার জসিম, বার্তা সম্পাদক,মোঃ ফোরকান কাজী