ঢাকা পূর্ব নন্দীপাড়ার মোঃ মকবুল হোসেন পিতা মৃত হযরত আলীর ছেলে স্থায়ী ঠিকানা মুন্সিগঞ্জ জেলার ? জমি বিক্রি নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ এনেছেন লন্ডন প্রবাসী খলিলুর রহমান কাজী। তিনি অভিযোগ করেন, মকবুল হোসেন নামের এক ব্যক্তি দুই বছরের সময় নিয়ে জমির টাকা পরিশোধ না করেই বিভিন্ন বাসা ছেড়ে অবস্থান পরিবর্তন করছেন।
প্রবাসী খলিলুর রহমান কাজী জানান, বিগত দিনে মোঃ আব্দুস ছাওয়ার নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে এ জমি নিয়ে তার কথা হয়েছিল। কিন্তু এখনো জমির টাকা বুঝে পাননি তিনি।
তিনি বলেন, মানিকনগরের ভাই আসলে কি এই জমির কাগজপত্র যাচাই করেছেন? আপনারা যে জমি কিনেছেন, তার ওয়ারিশাণ রয়েছেন ১৬ জন। কেউ লন্ডনে, কেউ হবিগঞ্জ যে অবস্থান করছেন। টাকা না পেলে আপনারা জমিতে থাকতে পারবেন না।
খলিলুর রহমান কাজী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আমরা অভিযোগ করতে বাধ্য হব এবং আমাদের জমিতে আমরা দখল নিব। মকবুল হোসেনকে বলেন, আমাদের টাকা দিয়ে দিতে। টাকা পেলে ১৩ জন ওয়ারিশকে দিয়ে স্বাক্ষর ওয়ারিশ সনদ আপনাদের দেওয়া হবে। তা না হলে আপনাদের বিরুদ্ধে ভুয়াদলিল করেছেন যে তার জন্য আইনগত ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হব।
তিনি আরও বলেন, টাকা না দিয়ে এভাবে জমি দখল রাখলে আপনারা প্রতারক জাল দলিলের হিসেবে পরিচিত হবেন এবং আইনের মুখোমুখি হবেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মকবুল হোসেন ও ভুয়া দলিলের মালিক মোঃ আব্দুস ছাওয়ার এবং তার ছেলে মোঃ রুহুল আমিন জেলা দিনাজপুর তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে ঐ সাব রেজিস্টার বাহুবল জেলা হবিগঞ্জ, অফিসে গিয়ে সাব রেজিস্ট্রারের কাছে জানতে চাইলে তিনি এড়িয়ে যান।
ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ওয়ারিশগণের লেনদেন পরিশোধ না হলে তারা দ্রুত আইনের আশ্রয় নেবেন। অনুসন্ধান চলছে