• বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
রাজউকের ১,০৭৪ প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগ পূর্বাচল ও ঝিলমিলের নথি স্থগিত, তদন্তের আওতায় হাজারের বেশি প্লট—বর্তমান চেয়ারম্যানের কাছে জবাবদিহির দাবি মানহীন ওষুধের অভিযোগে ঔষধ প্রশাসনে রহস্যজনক নীরবতা! মহাপরিচালকের পিএসের ‘ফেক নিউজ’ মন্তব্য, মুখপাত্রের কাছে বক্তব্য নেওয়ার পরামর্শ—জনস্বাস্থ্য নিয়ে প্রশ্ন কারসাজিতে জড়িত তিন পক্ষই এক ব্যাংক থেকে ৮৫ কোটি টাকার ঋণ নিয়ে আরেক ব্যাংকের মাধ্যমে বিল উত্তোলন ১২০ কোটি টাকার প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ: বিএলআরআইয়ের পিডি সাজেদুলকে ঘিরে স্বজনপ্রীতি ও অর্থ ব্যয়ের প্রশ্ন ফেলোশিপে স্ত্রীর সুবিধা, দরপত্র ছাড়া কাজ বণ্টন ও কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগ; নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি কাঁঠালিয়ায় তথ্য চাওয়ায় সাংবাদিককে মামলা দেওয়ার হুমকি! পিআইও জোবায়ের হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ কঙ্গোতে ইবোলা সংক্রমণ ১০ হাজার ছাড়িয়েছে, বাড়ছে উদ্বেগ ২০১৮–২০১৯ সালের সংবাদ প্রকাশের জের? গাজীপুর থেকে নারায়ণগঞ্জ—পুলিশি ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি Cosa cambia nel 2024 per i limiti di deposito settimanali su baxterbet casino বিজয়নগরে মাদক কারবারের অভিযোগ ঘিরে প্রশ্ন, আলোচনায় রুবেল খান ও মানিক মিয়া সিঙ্গারবিলের নলমুনিয়ায় মাদক সরবরাহের অভিযোগ, বিভিন্ন থানায় মামলা থাকার দাবি রুবেল খানের বিরুদ্ধে—নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি সাবেক সচিব নজরুল ইসলামকে ঘিরে একাধিক অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

২০১৮–২০১৯ সালের সংবাদ প্রকাশের জের? গাজীপুর থেকে নারায়ণগঞ্জ—পুলিশি ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
Update : বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬

অনেক ছবি সংগ্রহ করতে পারিনি।
সাড়ে ১৪ মাস কারাবন্দি ছিলেন দৈনিক সময়ের কণ্ঠ-এর সম্পাদক বোরহান হাওলাদার জসিম; তিন মামলায় খালাসের পর ক্ষতিপূরণ ও জবাবদিহি নিশ্চিতের আহ্বান

ঢাকা: ২০১৮ ও ২০১৯ সালে গাজীপুরের বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে সংবাদ প্রকাশ, পরবর্তী সময়ে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা ও হয়রানির অভিযোগ এবং নারায়ণগঞ্জের গোয়েন্দা পুলিশের কার্যক্রম ঘিরে পুরোনো ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি উঠেছে। দৈনিক সময়ের কণ্ঠ পত্রিকার সম্পাদক মোহাম্মদ বোরহান হাওলাদার জসিমের অভিযোগ, জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট তথ্য প্রকাশের পর তাঁকে একাধিক মামলায় জড়িয়ে আইনি জটিলতা ও কারাবাসের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। তাঁর দাবি, এসব ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকাশ করা প্রয়োজন।

সম্পাদকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তিনি মোট সাড়ে ১৪ মাস কারাবন্দি ছিলেন। ২০১৯ সালে দায়ের হওয়া মামলাসহ মোট তিনটি মামলায় তিনি পরবর্তী সময়ে খালাস পেয়েছেন এবং মামলাগুলোর নিষ্পত্তি ২০২৫ সালে হয়েছে বলে জানান তিনি। তবে এসব মামলার পূর্ণ বিবরণ, আদালতের রায় এবং কারাবাসের সময়কালসংক্রান্ত নথি পর্যালোচনা করে তথ্যগুলো নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

গার্মেন্টস শ্রমিক নিহতের ঘটনা নিয়ে সংবাদ প্রকাশ

সম্পাদকের বক্তব্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালে গাজীপুরে একটি অভিযানের সঙ্গে সম্পর্কিত ছয়জন গার্মেন্টস শ্রমিক নিহত হওয়ার অভিযোগ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছিল। তিনি ঘটনাটিকে ‘জংলি অভিযান’ নামে উল্লেখ করেন। এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের পরিচয়, ঘটনার সঠিক তারিখ, অভিযানের সরকারি বিবরণ এবং তদন্তের ফলাফল যাচাই করা জরুরি।

কোনো অভিযানে প্রাণহানির ঘটনা ঘটে থাকলে তার নির্দেশদাতা, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনকারী সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের ভূমিকা নিরপেক্ষভাবে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। দৈনিক সময়ের কণ্ঠ-এর পক্ষ থেকে এ ধরনের ঘটনার সত্যতা যাচাই এবং দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানানো হচ্ছে।

শ্রীপুরের নির্বাচনকেন্দ্রিক সহিংসতা নিয়েও প্রশ্ন

সম্পাদকের ভাষ্য অনুযায়ী, শ্রীপুরে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংঘটিত সহিংসতার একটি ঘটনা নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছিল, যেখানে পুলিশের উপস্থিতিতে একজনকে কুপিয়ে ও গুলি করার অভিযোগ ছিল। ওই ঘটনার প্রকৃত বিবরণ, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিচয় এবং পুলিশের ভূমিকা নির্ধারণে মামলা ও তদন্তের নথি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।

এ ছাড়া গাজীপুরের মেয়র পদে সংশ্লিষ্ট এক রাজনৈতিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে একাধিক মামলা, বিস্ফোরক-সংক্রান্ত মামলা এবং চাঁদাবাজির অভিযোগ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছিল বলে সম্পাদক উল্লেখ করেন। এসব অভিযোগের সত্যতা, মামলার বর্তমান অবস্থা এবং আদালতের সিদ্ধান্ত যাচাই ছাড়া কাউকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা সমীচীন নয়।

হারুন অর রশীদ ও নারায়ণগঞ্জের ডিবি কার্যক্রম

পুলিশ কর্মকর্তা মোহাম্মদ হারুন অর রশীদকে ঘিরে অতীতেও সংবাদমাধ্যমে বিভিন্ন অভিযোগ প্রকাশিত হয়েছে। ২০১৯ সালের নভেম্বরে প্রথম আলো ও ঢাকা ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে নারায়ণগঞ্জের তৎকালীন পুলিশ সুপারকে ঘিরে একজন ব্যবসায়ীর পরিবারের সদস্যদের আটক এবং চাঁদা দাবির অভিযোগ প্রকাশিত হয়েছিল। এসব ছিল সংশ্লিষ্ট পক্ষের উত্থাপিত অভিযোগ; সেগুলোকে আদালতে প্রমাণিত অপরাধ হিসেবে ধরে নেওয়া যায় না।

দৈনিক সময়ের কণ্ঠ-এর সম্পাদকও তাঁর বিরুদ্ধে সংঘটিত বলে দাবি করা ঘটনাগুলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভূমিকা তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন। তবে অতীতের সংবাদে উল্লিখিত অভিযোগ এবং সম্পাদকের ব্যক্তিগত মামলাগুলোর মধ্যে সরাসরি যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা প্রমাণের ভিত্তিতে নির্ধারণ করতে হবে।

ডিবি কর্মকর্তাদের ভূমিকা তদন্তের দাবি

সম্পাদক বোরহান হাওলাদার জসিমের অভিযোগে নারায়ণগঞ্জের ডিবি কার্যালয়ের তৎকালীন ওসি কামরুল, এসআই আলমগীর হোসেন, এসআই সায়েম, এসআই আরিফুল ইসলাম, এসআই মিজানুর রহমান, এসআই বিপ্লব কুমার এবং কনস্টেবল লুৎফর রহমানসহ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

তাঁর দাবি, সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর তদন্ত, গ্রেপ্তারের পরিস্থিতি এবং কারাবাসের পেছনে কোনো বেআইনি কর্মকাণ্ড ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা দরকার। তবে প্রত্যেক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এবং সংশ্লিষ্ট ঘটনায় তাঁদের ভূমিকা নিশ্চিত করার মতো পূর্ণাঙ্গ নথি এই প্রতিবেদনের হাতে নেই।

তাই এজাহার, তদন্ত প্রতিবেদন, গ্রেপ্তার-সংক্রান্ত নথি, আদালতের আদেশ ও খালাসের রায় পর্যালোচনা করে প্রত্যেকের ভূমিকা পৃথকভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বেআইনি নির্দেশ, ক্ষমতার অপব্যবহার বা অন্য কোনো অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হচ্ছে।

হকার উচ্ছেদ ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলার অভিযোগ

সম্পাদকের বক্তব্য অনুযায়ী, নারায়ণগঞ্জে হকার উচ্ছেদ, মাদক-সংক্রান্ত মামলা এবং বিএনপির নেতাকর্মীদের আটক করার ঘটনাগুলোও তদন্তের আওতায় আনা উচিত। তাঁর অভিযোগ, কিছু ক্ষেত্রে মাদক মামলার অপব্যবহার এবং রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের হয়রানির আশঙ্কা রয়েছে।

এসব অভিযোগ যাচাই করতে সংশ্লিষ্ট মামলার নম্বর, এজাহার, গ্রেপ্তারের তারিখ, আদালতের আদেশ এবং ভুক্তভোগীদের বক্তব্য সংগ্রহ করা জরুরি। প্রমাণ ছাড়া কোনো মামলাকে সাজানো বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলা যাবে না। একইভাবে হকার উচ্ছেদ অভিযানে আইন লঙ্ঘন হয়েছে কি না, তা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক আদেশ ও অন্যান্য নথি পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

তিন মামলায় খালাসের পর ক্ষতিপূরণ চান সম্পাদক

সম্পাদক বোরহান হাওলাদার জসিমের দাবি, সাড়ে ১৪ মাস কারাবাস এবং মামলা পরিচালনার কারণে তাঁর ব্যক্তিগত জীবন, পরিবার, পেশাগত কার্যক্রম ও সংবাদপত্র পরিচালনায় ক্ষতি হয়েছে। এসব ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করে আইনানুগ প্রতিকার ও ক্ষতিপূরণের সুযোগ নিশ্চিত করার জন্য তিনি বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট আইন ও প্রশাসন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

তাঁর মতে, কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে আইনানুগ তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ায় তার নিষ্পত্তি হওয়া উচিত। একইভাবে কোনো সাংবাদিক বেআইনি আটক, মিথ্যা মামলা বা ক্ষমতার অপব্যবহারের শিকার হয়ে থাকলে তাঁর অভিযোগও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা জরুরি।

তবে মামলায় খালাস পাওয়ার অর্থ স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই নয় যে মামলা দায়েরকারী বা তদন্তকারী প্রত্যেক ব্যক্তি অসৎ উদ্দেশ্যে কাজ করেছেন। কোনো ব্যক্তির দায় নির্ধারণে প্রমাণ, তদন্তের ফলাফল এবং প্রযোজ্য আইন অনুসরণ করতে হবে।

আইজিপি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঁচ দফা দাবি

১. ২০১৮–২০১৯ সালের উল্লিখিত ঘটনা ও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলোর নথি পর্যালোচনা করে নিরপেক্ষ তদন্ত করা।

২. গার্মেন্টস শ্রমিক নিহতের অভিযোগ এবং শ্রীপুরের নির্বাচনকেন্দ্রিক সহিংসতার ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা যাচাই করা।

৩. নারায়ণগঞ্জের ডিবি কার্যালয়-সংশ্লিষ্ট অভিযোগে প্রত্যেক কর্মকর্তার ভূমিকা পৃথকভাবে পরীক্ষা করা।

৪. মাদক মামলা, হকার উচ্ছেদ ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলায় আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া।

৫. বেআইনি আটক, ক্ষমতার অপব্যবহার বা অন্য কোনো অপরাধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ও সংবাদমাধ্যমের ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করে প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী প্রতিকার ও ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করা।

ন্যায়বিচার, স্বাধীন সাংবাদিকতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত হোক

সাংবাদিকতার কাজ তথ্য সংগ্রহ, যাচাই এবং জনস্বার্থে তা প্রকাশ করা। সংবাদ প্রকাশের কারণে কোনো সাংবাদিক বেআইনি হয়রানির শিকার হয়ে থাকলে তাঁর অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত। একই সঙ্গে সাংবাদিকতার পরিচয় ব্যবহার করে কোনো অসত্য তথ্য প্রকাশিত হলে সেটিও যাচাই ও সংশোধন করা জরুরি।

দৈনিক সময়ের কণ্ঠ-এর পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আহ্বান—পুরোনো অভিযোগগুলোকে রাজনৈতিক বক্তব্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে মামলার নথি, আদালতের রায়, প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষ্য এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্যের ভিত্তিতে সত্য উদ্‌ঘাটন করা হোক। অপরাধ প্রমাণিত হলে দায়ীদের আইনের আওতায় আনা হোক এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা যেন ন্যায়বিচার ও আইনানুগ ক্ষতিপূরণ পান, তা নিশ্চিত করা হোক।

প্রতিবেদন-সংক্রান্ত নোট: গার্মেন্টস শ্রমিক নিহতের কথিত ছয়জনের ঘটনার সুনির্দিষ্ট বিবরণ, শ্রীপুরের সহিংসতার মামলা এবং সম্পাদকের তিনটি মামলার রায়ের কপি সংগ্রহ করে যাচাই করা প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা-ও প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

দৈনিক সময়ের কণ্ঠ — আমাদের কাগজ মানুষের কথা বলে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিস্তারিত........

ফেসবুকে আমরা