• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
রাজউকের ১,০৭৪ প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগ পূর্বাচল ও ঝিলমিলের নথি স্থগিত, তদন্তের আওতায় হাজারের বেশি প্লট—বর্তমান চেয়ারম্যানের কাছে জবাবদিহির দাবি মানহীন ওষুধের অভিযোগে ঔষধ প্রশাসনে রহস্যজনক নীরবতা! মহাপরিচালকের পিএসের ‘ফেক নিউজ’ মন্তব্য, মুখপাত্রের কাছে বক্তব্য নেওয়ার পরামর্শ—জনস্বাস্থ্য নিয়ে প্রশ্ন কারসাজিতে জড়িত তিন পক্ষই এক ব্যাংক থেকে ৮৫ কোটি টাকার ঋণ নিয়ে আরেক ব্যাংকের মাধ্যমে বিল উত্তোলন ১২০ কোটি টাকার প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ: বিএলআরআইয়ের পিডি সাজেদুলকে ঘিরে স্বজনপ্রীতি ও অর্থ ব্যয়ের প্রশ্ন ফেলোশিপে স্ত্রীর সুবিধা, দরপত্র ছাড়া কাজ বণ্টন ও কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগ; নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি কাঁঠালিয়ায় তথ্য চাওয়ায় সাংবাদিককে মামলা দেওয়ার হুমকি! পিআইও জোবায়ের হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ কঙ্গোতে ইবোলা সংক্রমণ ১০ হাজার ছাড়িয়েছে, বাড়ছে উদ্বেগ ২০১৮–২০১৯ সালের সংবাদ প্রকাশের জের? গাজীপুর থেকে নারায়ণগঞ্জ—পুলিশি ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি Cosa cambia nel 2024 per i limiti di deposito settimanali su baxterbet casino বিজয়নগরে মাদক কারবারের অভিযোগ ঘিরে প্রশ্ন, আলোচনায় রুবেল খান ও মানিক মিয়া সিঙ্গারবিলের নলমুনিয়ায় মাদক সরবরাহের অভিযোগ, বিভিন্ন থানায় মামলা থাকার দাবি রুবেল খানের বিরুদ্ধে—নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি সাবেক সচিব নজরুল ইসলামকে ঘিরে একাধিক অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

খিলক্ষেতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর আ’লীগের নেতাদের বাড়িতে হামলা, পুলিশে অভিযান

নিজস্ব সংবাদদাতা
Update : মঙ্গলবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৪

রাজধানীতে জুলাই-আগস্টের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে খিলক্ষেত ও কুড়িল বিশ্বরোড এলাকায় নির্বিচার গুলিবর্ষণের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় খিলক্ষেত থানা এলাকায় আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের গ্রেফতারে জোরদার অভিযান শুরু হয়েছে। একের পর এক মামলা দায়ের এবং পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানের মুখে স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের তৃণমূল থেকে শুরু করে শীর্ষ পর্যায়ের অনেক নেতাই এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে গেছেন। খিলক্ষেত থানা এলাকা জুড়ে এখন বিরাজ করছে চরম গ্রেফতার আতঙ্ক।

​খিলক্ষেত থানা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের গণঅভ্যুত্থানের সহিংসতায় গুলিতে নিহতের ঘটনায় খিলক্ষেত থানায় একাধিক হত্যা ও হত্যাচেষ্টা মামলা রুজি করা হয়েছে। এসব মামলায় আসামি হিসেবে স্থানীয় ৪টি ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ কয়েকশত নেতাকর্মীর নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

​তদন্ত কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্যমতে, স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান এবং সেসময়ের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে হামলাকারীদের একটি সুনির্দিষ্ট তালিকা তৈরি করা হয়েছে। এই তালিকার ওপর ভিত্তি করেই খিলক্ষেতের বিভিন্ন মহল্লায় নিয়মিত ব্লক রেইড বা সাঁড়াশি অভিযান চালানো হচ্ছে।

তবে এরই মধ্যে এই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে গভীর রাতে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী খিলক্ষেত থানা আ’লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ও বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের ঢাকা মহানগর উত্তর সহ-সভাপতি রোকসোনা নাজনীনের বাড়িতে মব সৃষ্টি করে তাণ্ডব চালায়। ওই সময় সন্ত্রাসী দল বাড়ির ভিতরে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। মিথ্যা মামলা ও হত্যার হুমকি দেয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
​
​খিলক্ষেতের স্থানীয় বাসিন্দারা ও বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের ঢাকা মহানগর উত্তর সহ-সভাপতি রোখসানা নাজনীন জানান, বটতলা, নামাপাড়া, নিকুঞ্জ এবং কুড়িল বিশ্বরোড সংলগ্ন এলাকাগুলোতে এখন আর স্থানীয় আওয়ামী লীগের কোনো নেতাকর্মীকে প্রকাশ্যে দেখা যাচ্ছে না। সারা দেশে কম বেশি প্রতিটি থানাতেই আওয়ামী লীগসহ দলের অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা হচ্ছে। ওই মামলাগুলিতে আ’লীগের শীর্ষ নেতাদের নামের সাথে শত শত অজ্ঞাতনামা আসামি উল্লেখ করা হচ্ছে। আর এইসব মামলার সূত্র ধরেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে নিরপরাধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করে অজ্ঞাত আসামির জায়গায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠাচ্ছে। পুলিশি গ্রেফতার এড়াতে অনেকেই ঘরবাড়ি ছেড়ে আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে বা দূরবর্তী এলাকায় আশ্রয় নিয়েছেন। এমনকি আমি নিজেও আত্মগোপনে থেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছি। আমার বাড়িতেও মব সৃষ্টি করে হামলা,ভাঙচুর ও লুটপাত করা হয়েছে অথচ আওয়ামী লীগ করার কারণে গনগ্রেপ্তার ও মিথ্যা মামলার আতঙ্কের কারণে থানায় গিয়ে অভিযোগ বা মামলা করতে পারিনি। আইন শৃঙ্খলার চরম অবনীতির কারণে গ্রেপ্তার আতঙ্কে ভুগছি।

এ বিষয়ে ​খিলক্ষেত থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা (ওসি) জানায়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যারা সরাসরি অস্ত্র হাতে শিক্ষার্থীদের ওপর চড়াও হয়েছিল এবং যারা পেছন থেকে হামলার নির্দেশ দিয়েছিল, তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। কোনো নিরীহ মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হয়, সেটি নিশ্চিত করেই সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে এই গ্রেফতার অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে খিলক্ষেতের আশেপাশের এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিস্তারিত........

ফেসবুকে আমরা