কাতারে ব্যবসায়িক লেনদেনকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রবাসী মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম-এর সঙ্গে তার ব্যবসায়িক অংশীদারদের বিরোধের সৃষ্টি হয়েছে। শফিকুলের অভিযোগ, তার পাওনা বিপুল পরিমাণ অর্থের হিসাব ও টাকা ফেরত না দেওয়ায় তিনি কাতারে বাংলাদেশ দূতাবাসে লিখিত অভিযোগ করেছেন। বিষয়টি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসন ও পুলিশ সুপারের দপ্তরেও পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
এদিকে মুঠোফোনের ইমো (IMO) কথোপকথনে অভিযুক্ত পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা টাকা দেওয়ার কথা স্বীকার করলেও টাকা কীভাবে নেওয়া হয়েছে—এ নিয়ে তারা “দেখে নেওয়ার” ধরনের বক্তব্য ও হুমকিসূচক কথা বলেছেন বলে অভিযোগ। ওই কথোপকথনের বিষয়টি দৈনিক সময়ের কণ্ঠের নিজস্ব প্রতিনিধিও শুনেছেন বলে জানা গেছে।
অভিযোগকারী শফিকুল ইসলাম জানান, তার কষ্টার্জিত অর্থ ফেরত এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আদালতে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
তবে অভিযুক্তদের বক্তব্যের পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা ও তাদের পক্ষের নথিপত্র এখনো পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা তদন্তসাপেক্ষ। বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান চলছে।