হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলার ও ঢাকার নন্দীপাড়া এলাকার প্রতারক চক্র হবিগঞ্জ জেলার একটি বাগানের জমি বিক্রি সংক্রান্ত বিরোধে প্রতারণার অভিযোগ তুলেছেন লন্ডন প্রবাসী মোঃ খলিলুর রহমান কাজী। তিনি দাবি করেছেন, ১৬ জন ওয়ারিশের মধ্যে তিন জনকে নিয়ের স্বাক্ষরে কাউকে না জানিয়ে জমির দলিল সম্পাদন করা হয়েছে।
অভিযোগে খলিলুর রহমান কাজী বলেন, ঢাকার পূর্ব নন্দীপাড়ার মোঃ মকবুল হোসেন, পিতা মৃত হযরত আলী, স্থায়ী ঠিকানা মুন্সিগঞ্জ জেলা, দুই বছরের সময় নিয়ে জমির মূল্য পরিশোধ না করেই জমির দখল ও অবস্থান পরিবর্তন করছেন।
* ১৩ জন ওয়ারিশদের দাবি:*
খলিলুর রহমান কাজী জানান, বিগত দিনে মোঃ আব্দুস ছাওয়ার নামের এক ব্যক্তির সাথে এই জমি নিয়ে তার কথা হয়েছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত জমির তিনজন ওয়ারিশ থেকে রেজিস্ট্রি বায়না করবে বলে এই ব্যক্তিরা তিনজনের থেকে স্বাক্ষর নিয়ে নির্ধারিত মূল্য বুঝে না দিয়ে । তিনারা বলেন, “মানিকনগরের ভাইয়েরা যে জমি কিনেছেন, তার ওয়ারিশ রয়েছেন ১৬ জন। কেউ লন্ডনে, কেউ হবিগঞ্জে অবস্থান করছেন। টাকা পরিশোধ না হলে ওয়ারিশগণ জমিতে থাকতে দেবেন না তাদেরকে আপ জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
খলিলুর রহমান কাজী তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আমরা আইনগত অভিযোগ করতে বাধ্য হব এবং ওয়ারিশ হিসেবে আমাদের জমি আমরা বুঝে নেব। মকবুল হোসেনকে টাকা পরিশোধ করতে হবে। টাকা পেলে আরো ১৩ জন ওয়ারিশের স্বাক্ষরসহ ওয়ারিশ সনদ দেওয়া হবে। তা না হলে দলিল জালিয়াতির অভিযোগে আইনগত ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হব। টাকা না দিয়ে জমি দখল রাখলে প্রতারণা ও জাল দলিলের অভিযোগে আইনের মুখোমুখি হতে হবে।”
*অভিযুক্তদের বক্তব্য:*
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মোঃ মকবুল হোসেন, মোঃ আব্দুস ছাওয়ার ও তার ছেলে মোঃ রুহুল আমিনের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি।
*সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের অবস্থান:*
এ বিষয়ে হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হলে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি।
*ভুক্তভোগীদের পরবর্তী পদক্ষেপ:*
ভুক্তভোগী ওয়ারিশ পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ওয়ারিশদের পাওনা পরিশোধ না হলে তারা দ্রুত আইন ও আদালতের আশ্রয় নেবেন। এ বিষয়ে তাদের অনুসন্ধান চলমান রয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যায় লন্ডন প্রবাসী ১৬ জনের ওয়ারিশ সনদ গোপন রেখে কেনই বায়না দলিল করলো কার সাথে সেলিম চৌধুরী নামে তার চাচাতো ভাই রয়েছে এই ব্যাপারে দৈনিক সময়ের কন্ঠ পত্রিকার আছে তারা একটি অভিযোগ দিয়েছে সেই অভিযোগসূত্রে যাহা বোঝা গেল এই তিনজনই ১৩ জনের ওয়ারিশ সনদ গোপন রেখা চেষ্টা করেছিল কিন্তু অনুসন্ধান করে যা বুঝা গেল এই তিনজনের স্বাক্ষরে এই দলিল হয়েছে এক সেলিম চৌধুরী দুই প্রবাসী খলিলুর রহমান কাজী তার ভাইসহ তাদেরকে আইনের আওতায় দরকার। সময়ের অনুসন্ধানে চোখ রাখ